Headlines
Loading...
General science gk in bengali | সাধারণ বিজ্ঞান জিকে 3

General science gk in bengali | সাধারণ বিজ্ঞান জিকে 3

General science gk in bengali | সাধারণ বিজ্ঞান জিকে

এই প্রশ্ন সেট-এ General science gk থেকে সমস্ত রকম সম্ভাব্য প্রশ্ন ও উত্তর নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। এখানে রয়েছে general science gk in bengali সম্পর্কিত 150+ general knowledge question answers in bengali, যেগুলি পশ্চিমবঙ্গে যে কোনো সরকারি পরীক্ষার WBCS, SSC, WBP, ICDS, RAIL,RRB GROUP D And others competitive exams এর জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এই 150র ও বেশি প্রশ্ন উত্তর এর মধ্যে আপনি পাবেন General science qna in Bengali আরও রয়েছে general science gk bengali PDF, জেনারেল সাইন্স বা সাধারণ বিজ্ঞান  সম্পর্কিত প্রশ্ন উত্তর General Knowledge About general science PDF In Bengali, and general science quiz in bengali etc. 

এটি আমাদের general science question set series er 3rd question set, নীচে যান বাকি সেট গুলি দেখার জন্য।

প্রঃ শোবার ঘর বৈঠকখানায় আমরা সাধারণত কোন্ ফিনাইল ব্যবহার করি?

উঃ হোয়াইট সেন্টেড ফিনাইল

প্রঃ সার্জিক্যাল গজ ব্যান্ডেজ তৈরি করতে কোন্ কোন্ মেশিন অবশ্যই প্রয়োজনীয়?

উঃ () 1টি স্বয়ং ক্রিয় কাটিংমেশিন, () 1টি স্টেবিলাই জার, () 1টি স্বয়ংক্রিয় রোলিং মেশিন, () 5টি সিমেন্টের বড় গামলা এবং () 1টি অ্যালুমিনিয়াম গামলা

প্রঃ চলন্ত ট্রেন থেকে কোনো যাত্রী হঠাৎ লাফিয়ে পড়লে সে সামনের দিকে ঝুঁকে পড়ে তার কারণ কি?

উঃ চলন্ত ট্রেনের আরোহীর দেহ গতিজাড্যের নিয়মানুসারে নিজের সম্মুখ গতি বজায় রাখে, ট্রেন থেকে হঠাৎ লাফিয়ে পড়লে তার পা প্ল্যাটফর্ম স্পর্শ করে স্থির হয় বটে, কিন্তু দেহের ঊর্ধ্বাংশ তার পূর্বের গতি অক্ষুণ্ন রাখতে চায় ফলে যাত্রীটি সামনের দিকে ঝুঁকে পড়ে

প্রঃ সার্জিক্যাল গজ ব্যান্ডেজ তৈরি করতে কয়লা, ডিজেল এবং বিদ্যুতের মধ্যে কোন্টি বেশি অত্যাবশ্যক?

উঃ বিদ্যুৎ

প্রঃ সার্জিক্যাল গজ ব্যান্ডেজ তৈরি করতে কোন্ কোন্ রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করা হয়?

উঃ () কস্টিক সোডা, () টার্কিরেড অয়েল এবং () ব্লিচিং পাউডার

প্রঃ গরুর গাড়ির চাকার গায়ে লোহার বেড়কে কোন পদ্ধতির মাধ্যমে আটকে দেওয়া সম্ভব হয়?

উঃ গরুর গাড়ির চাকার গায়ে লোহার বেড় আটকে দিতে আমরা বিশেষ করে লোহার সঙ্কোচন এবং প্রসারণ ধর্মকে কাজে লাগাই বেড়টি চাকার পরিধি থেকে সামান্য ছোট থাকে এবার লোহার বেড়টিকে উত্তাপ প্রয়োগ করে তাকে প্রসারিত করে ঢাকার গায়ে পরিয়ে দেওয়া যায় এবার বেড়টির গায়ে জল ছিটিয়ে ঠাণ্ডা করলে সেটি সঙ্কুচিত হয়ে চাকাটির গায়ে দৃঢ়ভাবে আঁকড়ে ধরে থাকবে

প্রঃ আমরা নাক ডাকি কেন?

উঃ সাধারণতঃ নিদ্রাকালেই নাক ডাকে বেকায়দায় ঘুমালে শ্বাস প্রশ্বাসের স্বাভাবিক চলাচল বাধাপ্রাপ্ত হয় অর্থাৎ ফুসফুসের হাওয়া স্বরনালীর কোষে বাধা পেতে থাকে এই সময় স্বরনালী থেকে যে শব্দ বের হয় তাকেই নাক ডাকা বলে

প্রঃ আগুনে জল ঢাললে নিভে যায় কিভাবে?

উঃ আগুনে জল ঢাললে বাতাসের অক্সিজেন আগুনের সংস্পর্শে আসতে বাধা পায় ফলে আগুন কিছুটা নিস্তেজ হয়ে পড়ে তাছাড়া উত্তাপ অনেক পরিমাণে জল শোষণ করে নেয় ফলে আগুন নিস্তেজ হয়ে গিয়ে নিভে যেতে বাধ্য হয়

প্রঃ মেঘ করলে গুমোট ভাব বোধ হয় কেন?

উঃ মেঘে জল জমলে তা ভারি হয়ে পড়ে এবং বায়ুমণ্ডলের নিচের দিকে পৃথিবীর মাটির নিকটবর্তী হয়ে পড়ে জলভরা মেঘের সংস্পর্শে বায়ুমণ্ডল ভারি স্যাঁতসেঁতে হওয়ার ফলেই গুমোট বোধ হয়

প্রঃ শরীরে রং কালো বা ফর্সা হওয়ার জন্য দায়ী কে?

উঃ শরীরের চামড়ার নিচেই থাকে বর্ণকোষ এই বর্ণকোষের ভেতরে থাকে একরকম রঞ্জক পদার্থ এই রঞ্জক পদার্থের তারতম্যের জন্যে শরীরের রং কালো বা ফর্সা হয়ে থাকে গায়ের রং-এর তারতম্য বংশধারারজন্যও হয়ে থাকে।

প্রঃ রাতে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকলে বেশি গরম বোধ হয় কেন?

উঃ দিনের বেলা প্রখর সূর্যালোকে পৃথিবীর উপরিস্থ সব কিছু উত্তপ্ত হয়ে থাকে। রাতের দিকে সেই উত্তাপ বিকিরণের ফলে বাতাস স্বাভাবিক ভাবেই উত্তপ্ত হয়ে উঠে এবং ওপারের দিকে উঠে যেতে থাকে। কিন্তু আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকায় উত্তপ্ত হাওয়া ওপরে উঠে যেতে পারে না। ফলে পরিষ্কার রাতের চেয়ে মেঘাচ্ছন্ন রাতে বেশি গরম বোধ হয়।

প্রঃ পচা ডিম জলে ভাসে কেন?

উঃ ডিমের খোলসের গায়ে থাকে অসংখ্য সূক্ষ্ম সূক্ষ্ম ছিদ্র। পচে গেলে ডিমের ভেতরের পদার্থ গ্যাসে রূপান্তরিত হয়ে খোলসের ছিদ্র পথে বেরিয়ে যায়। ফলে ডিমের ওজন কমে যায়। এই হালকা ডিম সমপরিমাণ জল অপেক্ষা হালকা হয়ে যায়। তখন ডিম ভাসতে থাকে।

প্রঃ চুল পাকার কারণ কি?

উঃ চুলের গোড়ায় এক প্রকার রঞ্জক পদার্থ অবস্থান করে। এর জন্যই চুল কালো দেখায়। নানা কারণে এই রঞ্জক পদার্থ কমে যায় বা শুকিয়ে যায় তখনই চুলে পাক ধরে। বয়স বাড়লে স্বাভাবিকভাবেই এই রঞ্জক পদার্থ কমে যায়।

প্রঃ প্রথম মহাকাশ স্টেশন কোন্‌টি?

উঃ প্রথম মহাকাশ স্টেশন হলো ‘মির। 1986 সালের 19 ফেব্রুয়ারি থেকে পরবর্তী 15 বছরে মিরে 31 টি যাত্রীবাহী মহাকাশযান, 64 টি পণ্যবাহী মহাকাশযান থেকেছে। 28 জন নাবিক মিরের রক্ষণাবেক্ষণ করতেন। 12 টি দেশের 125 জন মহাকাশযাত্রী মির ভ্রমণ করেছেন।

প্রঃ রেল লাইনের বৈদ্যুতিক তার খুঁটিতে লাগাবার সময় একেবারে টান টান করে লাগানো হয় না, একটু ঢিলে থাকে। এর স্বপক্ষে যুক্তি কি?

উঃ বৈদ্যুতিক তার খুঁটিতে লাগাবার সময় তারের দৈর্ঘ্য বৃদ্ধি বা সঙ্কোচনের কথা মনে রেখে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা অবলম্বন করা হয়। দুই পোস্টের মধ্যে এমনভাবে তার খাটানো হয় যে, গ্রীষ্মকালে সূর্যের প্রখর উত্তাপে তারটি উত্তপ্ত হয়ে দৈর্ঘ্য বেড়ে আলগা হয়ে যেতে পারে। আবার শীতকালে সঙ্কুচিত হয়ে বেশ একটু আঁট হয়ে যাওয়াতে কিছুমাত্র অসম্ভব নয়। এরকম ব্যবস্থা অবলম্বিত না হলে তার অত্যধিক টান হয়ে পোস্ট কাৎ হয়ে সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। তাই তার লাগাবার সময় একটু ঢিলে রাখা হয়।

প্রঃ নৌকা, স্টিমার, কড়াই কিভাবে জলে ভাসে?

উঃ কোন জিনিস জলে পড়লে সেটি যতটা জল অপসারণ করে অর্থাৎ বস্তুর যে অংশ জল অপসারণ করে তার ওজন অপসারিত জল অপেক্ষা হালকা হলে জলে ভাসে। নৌকা, জাহাজ প্রভৃতির খোল ফাঁপিয়ে তাকে সমপরিমাণ জলের ওজনের হালকা করে ফেলা হয়। এ কারণে নৌকা, স্টিমার বা কড়াই জলে ভাসে।

প্রঃ আমরা শীতকালে পশমের পোষাক ব্যবহার করি কেন?

উঃ পশমের তৈরি পোষাকের গায়ে অসংখ্য ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ছিদ্র থাকে। আর সেই ছিদ্রগুলি বায়ুতে পরিপূর্ণ থাকে। বায়ু তাপের কুপরিবাহী। পোষাকের ছিদ্রের বায়ুস্তর আমাদের দেহস্থ তাপকে বাইরে যেতে বাধা দেয় ফলে দেহ গরম থাকে। এই কারণে আমরা শীতকালে পশমের পোষাক ব্যবহার করি।

প্রঃ জলাশয়ে একটি বাঁশ পোঁতা থাকলে, বাঁশের ডোবানো অংশ বাঁকা বলে মনে হয় কেন?

উঃ আলোর দুটো মাধ্যমের বিভেদ তলে আপতিত না হওয়ার জন্য আলোকের গতিপথ দ্বিতীয় মাধ্যমে প্রবেশ করে দিক পরিবর্তন করে। এখানে আলোর প্রথম মাধ্যমে অর্থাৎ বায়ুবীর মাধ্যম থেকে দ্বিতীয় মাধ্যম জলে প্রবেশ করার পর আলোর গতিপথের দিক পরিবর্তন হয়। তার ফলে পোতা বাঁশটির জলে ডোবানো অংশটি বাঁকা বোধ হয়। তাই মাধ্যম পরিবর্তনের ফলেই এমন একটি বিভ্রান্তি আমাদের মনের ওপর ক্রিয়া করে।

প্রঃ উদয় ও অস্তকালে সূর্যকে লাল দেখায় কেন?

উঃ উদয়কালে এবং অস্ত যাবার সময় সূর্য দিগন্ত দিকচক্রবাল রেখার নিচে থাকে। সেই সময় সূর্যের নীল বা বেগুনী আলোক রশ্মিগুচ্ছ বাতাসের ধূলিজাল ও জলকণা ভেদ করে আমাদের দৃষ্টিপথে প্রতিফলিত হয় না। কারণ এই দুই সময়ে রঙগুলির আলোক তরঙ্গ থাকে অপেক্ষাকৃত ছোট। কিন্তু কমলা ও নীল রঙের আলোক রশ্মি দীর্ঘ আলোক তরঙ্গ সৃষ্টি করে। ফলে এগুলি বায়ুমণ্ডলের নিচের গম্ভীর স্তর ভেদ করে আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়ে থাকে। এই কারণেই সকাল ও সন্ধ্যায় সূর্যকে লাল দেখতে পাই।

প্রঃ শীতকালে পায়ের চামড়া ও ঠোঁট প্রভৃতি ফেটে যায় কেন?

উঃ এর মূলে রয়েছে শীতকালের নিম্ন আপেক্ষিক আর্দ্রতা। নিম্ন আপেক্ষিকআর্দ্রতার জন্য বায়ুমণ্ডল দেহের অনাবৃত অংশের অপেক্ষাকৃত নরম স্থানগুলো; যেমন-—ঠোঁট, গাল ও পায়ের গোড়ালি প্রভৃতি স্থানের জলীয় অংশ শুষে নেয়। তাই ঐসব জায়গা শীতকালে ফেটে যায়।

প্রঃ এক যাত্রী চলন্ত বাসে দাঁড়িয়ে রয়েছে। গাড়িটি বাঁক ঘুরলে যাত্রীটি কোন্ দিকে হেলে পড়তে চাইবে? কারণ কি?

উঃ বাঁকের কেন্দ্রের বিপরীত দিকে ঝুঁকে পড়তে চাইবে। বাস, লরি, ট্যাক্সি যখন বাঁক ঘোরে তখন তাদের উপর অভিকেন্দ্র ত্বরণ ক্রিয়া করে। এই ত্বরণের অভিমুখ বাসের বাঁকের কেন্দ্রের দিকে। নিয়ম অনুযায়ী ত্বরিত নির্দেশে ফ্রেমে অবস্থিত বস্তুর নির্দেশে বিপরীত পার্শ্বে অলীক বল ক্রিযা করে। এর প্রভাবে বাসের আরোহী গাড়ির বাঁকের কেন্দ্রের বিপরীত পার্শ্বে একটি ত্বরণ লাভ করে বলে এরকমটি হতে দেখা যায়।

প্রঃ শীতের দেশে উপরি ভাগের জল জমে বরফে পরিণত হয়ে যায়। সেই জলে জলচর প্রাণীরা কোন পদ্ধতিতে নিজেদের অস্তিত্ব বজায় রাখে?

উঃ শীতপ্রধান দেশের জলাশয়ের জলের উপরিভাগের জল ঠাণ্ড হাওয়ার সংস্পর্শে ক্রমে শীতল হয়ে ভারী হয়। ভারী জল জলাশয়ের তলায় চলে যায়। নিচের জল ওপরে উঠে সেস্থান পূর্ণ করে। তলায় জলের তাপমাত্রা যখন 4° সেন্টিগ্রেড হবে তখন আর ওপরের জল তলায় যায় না। কারণ ওপরের জলের তাপমাত্রা 4° সেন্টিগ্রেডের কম হলে হাল্কা হবে এবং ওপরেই থেকে যায়। তাই ওপরের জল এবার ক্রমেই ঠাণ্ডা হয়ে বরফে পরিণত হয়। কিন্তু জলাশয়ের তলার দিককার জল 4° সেন্টিগ্রেডই থেকে যায়। তাই মাছ বা অন্যান্য জলচর প্রাণী শীতপ্রধান দেশে জলের ওপরে বরফ জমে থাকলেও বেঁচে থাকতে পারে।

 << আগের পোস্ট

0 Comments: