Headlines
Loading...
Life science gk in bengali | জীবন বিজ্ঞান জিকে প্রশ্নোত্তর 2

Life science gk in bengali | জীবন বিজ্ঞান জিকে প্রশ্নোত্তর 2

300 + Life science gk in bengali pdf | জীবন বিজ্ঞান জিকে

জীবন বিজ্ঞান জিকে সমস্ত রকম প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার ক্ষেত্রে যেমন MTS,WBCS, BANK, WBPSC, SSC, CGL, CHSL, WBP  RRB GROUP D-র জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। এই life science gk question set in bengali তে আমরা নিয়ে এসেছি 300র ও বেশি জীবন বিজ্ঞান জিকে প্রশ্ন উত্তর। More than 300 life science question answers in bengali , যেগুলি আপনাকে সাহায্য করবে বিভিন্ন ধরনের কুইজ (Life science quiz in bengali) ও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার ক্ষেত্রে জ্ঞান বর্ধক হিসেবে। life science gk in bengali pdf এটি হলো এই সিরিজের 2nd  questions set.

প্রঃ ভাইরাস শব্দটির উৎপত্তি কিভাবে হয়েছে?

উঃ ভাইরাস শব্দটি ল্যাটিন শব্দ ভিরিয়ন থেকে এসেছে।

প্রঃ ক্লোরেল্লা কোন্ রোগ সৃষ্টি করে?

উঃ যাবতীয় চর্মরোগ সৃষ্টি করে।

প্রঃ প্রাথমিক মূল বলতে কাকে বোঝানো হয়? বর্ধমান অঞ্চল কাকে বলে?

উঃ অঙ্কুরোদগমের ফলে, ভ্রূণমূল বর্ধিত হয়ে প্রথমেই যে মূল সৃষ্টি করে তাকে বলে প্রাথমিক মূল। মূলপত্রের ঠিক উপরের কয়েক মিলিমিটার অংশকে বর্ধমান অঞ্চল বলে।

প্রঃ ভাইরাস কথার অর্থ কি?

উঃ ভাইরাস কথার অর্থ বিষ।

প্রঃ নয়নতারা পাতা কোন্ রোগের প্রতিষেধক? নয়নতারা গাছের বৈজ্ঞানিক নাম কি?

উঃ ব্লাড-সুগার। ভিঙ্কা রোসিয়া।

প্রঃ সায়ানোফেজ ভাইরাসের আবিষ্কর্তা কে?

উঃ সায়ানোফেজ ভাইরাসের সর্বপ্রথম আবিষ্কার করেন সাফারম্যান ও মরিস।

প্রঃ ফুল গঠিত হয় কিভাবে?

উঃ সাধারণত বৃত্তি, দলমণ্ডল, পুংকেশর ও গর্ভকেশর নিয়ে ফুল গঠিত হয়।

প্রঃ বৈজ্ঞানিক গবেষণাগারে ক্লোরেল্লার ভূমিকা কি?

উঃ যাবতীয় রাসায়নিক বিক্রিয়ার গবেষণায় এবং প্রোটিন সংশ্লেষে ক্লোরেল্লার ব্যবহার অত্যাবশ্যক।

প্রঃ অঙ্গার গ্লুকোজের রাসায়নিক সংকেত কি?

উঃ C6H1206 |

প্রঃ উদ্ভিদের কোষের শক্তিঘর কাকে বলে?

উঃ মাইট্রোকনড্রিয়াকে।

প্রঃ ভাইরাসের গড় ব্যাস কত?

উঃ ভাইরাসের গড় ব্যাস 10-300 মিলি মাইক্রন অবধি হয়ে থাকে।

প্রঃ মহাকাশ গবেষণার কাজে ক্লোরেল্লার ভূমিকা কি?

উঃ মহাকাশ যানের পরিবেশ দূষণমুক্ত রাখতে ও মহাকাশচারীদের খাদ্যকে অভাব মেটাতে ক্লোরেল্লার ব্যবহার দেখা যায়।

প্রঃ কোন্ এককোষী প্রাণীর দেহে সালোক-সংশ্লেষ ঘটে?

উঃ ইউগ্লিনা।

প্রঃ কোন্ ভাইরাস কিভাবে মানুষের ক্ষতি করে না?

উঃ ব্যাকটিরিয়া ফাজ ভাইরাস। এই ভাইরাস ব্যাকটিরিয়ার উপর পরজীবী। তাই অনেক রোগের কারণ ব্যাকটিরিয়াকে ধ্বংস করে দেয়।

প্রঃ ফাজ কথার অর্থ কি?

উঃ ভক্ষক।

প্রঃ ব্যাকটেরিয়া কোথায় বাস করে?

উঃ ব্যাকটেরিয়া জল, স্থল, উদ্ভিদ, প্রাণী, উঁচু পর্বতশিখর এমন কি গভীর সমুদ্রেও এদের অস্তিত্ব পাওয়া যায়।

প্রঃ পি এম ভি কথার অর্থ কি?

উঃ পি মোজাইক ভাইরাস।

প্রঃ প্রাণী ভাইরাস কাকে বলে?

উঃ প্রাণী দেহে যে ভাইরাস রোগের সঞ্চার করে তাকে প্রাণী ভাইরাস বলে।

প্রঃ টি এম ভি কথার অর্থ কি?

উঃ টোবাকে মোজাইক ভাইরাস।

প্রঃ কত সালে ব্যাকটেরিয়া আবিষ্কৃত হয়?

উঃ 1665 সালে।

প্রঃ আর এন এ কথার অর্থ কি?

উঃ রাইবো নিউক্লিক অ্যাসিড

প্রঃ উদ্ভিদ ভাইরাস ও প্রাণী ভাইরাস এর মধ্যে পার্থক্য লেখ।

উঃ উদ্ভিদ ভাইরাসে আর এন এ অর্থাৎ রাইবো নিউক্লিক অ্যাসিড এবং প্রাণী ভাইরাসে ডি এন এ অর্থাৎ ডি-অক্সিরাইবে নিউক্লিক অ্যাসিড থাকে।

প্রঃ ডি এন এ কথার অর্থ কি?

উঃ ডি-অক্সিরাইবো নিউক্লিক অ্যাসিড।

প্রঃ কক্কাস কাকে বলে?

উঃ গোলাকার ব্যাকটেরিয়াকে কক্কাস বলে।

প্রঃ কোন্ ভাইরাস লাইটিক ভাইরাস নামে পরিচিত?

উঃ যে ভাইরাস পোষক কোষের মধ্যে বাড়ে এবং সজীব কোষকে আক্রমণ করে রোগ বিস্তার করে তাকে লাইটিক ভাইরাস বলে।

প্রঃ ব্যাকটেরিয়া কে আবিষ্কার করেন?

উঃ অ্যান্টনি ভন লিউমেন হুব্ (ইংল্যান্ড)।

প্রঃ বি এম ভি-এর পুরো নাম কি?

উঃ বিন মোজাইক ভাইরাসকে বি এম ভি বলে।

প্রঃ পোলিও রোগ সৃষ্টিকারী ভাইরাসের নাম কি?

উঃ পোলিও রোগ সৃষ্টিকারী ভাইরাসের নাম ‘পোলি ও মায়েলিটিস'।

প্রঃ টম্যাটো গাছের পাতায় কোন্ জাতীয় ভাইরাস আক্রমণ করে?

উঃ টম্যাটো বুসি ভাইরাস।

প্রঃ টিউবার কিউলোসিস (টি বি) বা যক্ষ্মা রোগ সৃষ্টিকারী বা ব্যাকটেরিয়া কোনটি?

উঃ মাইকোরেকটিয়াম টিউবার কিউলোসিস ব্যাকটেরিয়া।

প্রঃ মৃত্তিকার উর্বরতা বৃদ্ধীকারী কয়েকটি ব্যাকটেরিয়ার নাম কর।

উঃ আজোটোব্যাকটর ক্লসট্রিডিয়াম। রাইজোবিয়াম ইত্যাদি জাতীয় ব্যাকটেরিয়া মাটির উর্বর শক্তি বৃদ্ধি করে থাকে।

প্রঃ জ্যানো মোনাস ফ্যাসিওলি ব্যাকটেরিয়া কি ক্ষতি করে?

উঃ মটর গাছের ধ্বসা রোগ সৃষ্টি করে।

প্রঃ জীবাণু প্রতিরোধকারী ওষুধ ক্লোরোমাইসিন কোথা থেকে পাওয়া যায়।

উঃ জীবাণু প্রতিরোধকারী ওষুধ ক্লোরোমাইসিন অরিওফিসিয়েনস থেকে পাওয়া যায়।

প্রঃ লাইসোজেনিক চক্র কাকে বলে?

উঃ যে ভাইরাস পোষক কোষে নতুন ভাইরাস (বংশ বিস্তার) গড়ে না। উপরক্ত ডি এন এ জিনোমের সাথে যুক্ত হয় এবং পোষকের মৃত্যু ঘটায় না তাকে লাইসোজেনিক চক্র বলে।

প্রঃ ডিপ্লো কক্কাস কাদেরকে বলে?

উঃ দুটি গোলাকার ব্যাকটেরিয়ার একত্রিত বসবাসকে ডিপ্লো কক্কাস বলে।

প্রঃ ম্যালেরিয়ার জীবাণু আবিষ্কার করে কে?

উঃ বিখ্যাত চিকিৎসক রোনাল্ড রস।

প্রঃ ফল-মূল। খাদ্যবস্তু নষ্ট করে কোন্ কোন্ ব্যাকটেরিয়া?

উঃ ক্লস্টিডিয়াম, স্ট্যাকাইলো কক্কাস প্রভৃতি ব্যাকটেরিয়া শাক-সবজি রান্না করা খাদ্য ফল ইত্যাদি নষ্ট করে।

প্রঃ স্ট্রেপ্টোমাইসিন রাইমোসাস থেকে কি পাওয়া যায়?

উঃ টেরামাইসিন ওষুধ থেকে পাওয়া যায়।

প্রঃ ব্যাকটেরিয়া কিভাবে মাটির উর্বর শক্তি বৃদ্ধি করে?

উঃ নাইট্রোজেন ফিক্সেশন পদ্ধতিতে মাটির উর্বর বৃদ্ধি করে।

প্রঃ স্ট্রেপ্টোমাইসিন গ্রিসিয়াস থেকে কোন্ ওষুধ পাওয়া যায়?

উঃ স্ট্রোস্টামাইথিন।

প্রঃ কলেরা রোগের জন্য দায়ী ব্যাকটেরিয়ার নাম কি?

উঃ ভিব্রি ও কলেরা।

প্রঃ নিউমাইসিন কি থেকে পাওয়া যায়?

উঃ স্ট্রেপ্টোমাইসিস ফ্রেডি।

প্রঃ দুধ কিভাবে দই-এ রূপান্তরিত হয়?

উঃ স্ট্রেপটো কক্কাস ল্যাকট্রিস ল্যাকটোব্যাসিলাস ব্যাকটেরিয়া দুগ্ধকে দধিতে পরিণত করে।

প্রঃ ফ্লাজেলাহীন ব্যাকটেরিয়া আমাদের কাছে কি নামে অভিহিত?

উঃ ফ্লাজেলাহীন ব্যাকটেরিয়া অ্যাট্রিকাস নামে অভিহিত।

প্রঃ ব্যাকটেরিয়ার জনন কার্য কিভাবে সম্পন্ন হয়?

উঃ যৌন ও অযৌন দু ভাবেই।

প্রঃ প্রফেজ বলতে আমরা সাধারণতঃ কি বুঝি?

উঃ লাইসোজোনিক চক্রে ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাসের একত্রে অবস্থান করার পদ্ধতি।

প্রঃ সর্বাপেক্ষা ক্ষুদ্রতম ব্যাকটেরিয়া কোন্টি?

উঃ মাইকোপ্লাজমা (Mycoplasma) |

প্রঃ এর ব্যাস কত?

উঃ এর ব্যাস 0.1 মাইক্রন।

প্রঃ সারসিনা কাকে বলে?

উঃ দলবদ্ধ ঘনকের আবার বিশিষ্ট কক্কাসকে।

প্রঃ এনকেফ্যালাইটিস মানব দেহের কোথায় আক্রমণ করে?

উঃ মস্তিষ্কে।

প্রঃ স্টাফাইলোক্কাস কাকে বলে?

উঃ আঙ্গুর গাছের মতো অবস্থানকারী কক্কাসকে স্টাফাইলো ক্কাস বলে।

প্রঃ নেক্রোসিস কি?

উঃ এক প্রকার ভাইরাস ঘটিত ক্ষত সৃষ্টিকারী রোগ।

প্রঃ ব্যাকটেরিয়া কাকে বলে?

উঃ অতি ক্ষুদ্র এক প্রকার এককোষী আনুবীক্ষনিক জীবকে ব্যাকটেরিয়া বলে।

প্রঃ প্যাঁচানো প্যাঁচানো সর্পিলাকার ব্যাকটেরিয়া কি নামে পরিচিত?

উঃ স্পাইরিলাম নামে পরিচিত।

প্রঃ কোন্ ভাইরসারের আক্রমণে গাছের পাতা কুঁকড়ে যায়?

উঃ কারলিং ভাইরাসের আক্রমণে।

প্রঃ সবচেয়ে বৃহত্তম ব্যাকটেরিয়া কোন্টি?

উঃ সবচেয়ে বৃহত্তম ব্যাকটেরিয়ার নাম ব্যাসিলাস বাটবিলি।

প্রঃ এর দৈর্ঘ্য কত?

উঃ এর দৈর্ঘ্য ৪০ মাইক্রন।

প্রঃ ডিব্রিও কি?

উঃ কমাকুতি এক প্রকার ব্যাকটেরিয়া।

প্রঃ জীব ও জড়ের মধ্যবর্তী পর্যায়ের বস্তু ব্যাকটিরিয়া, নাকি ভাইরাস?

উঃ ভাইরাস।

প্রঃ গুটি বসন্তের ভাইরাসকে কি বলা হয়?

উঃ ভ্যারিওলা।

প্রঃ ফ্লাজেলার কাজ কি?

উঃ ব্যাকটেরিয়ার চলাচল সাহায্যে করাই ফ্লাজেলার কাজ।

প্রঃ ব্যাকটেরিয়াকে রং করার পদ্ধতি কে আবিষ্কার করেন?

উঃ ডেনমার্কের বিজ্ঞানী ক্রিস্টিয়ান গ্রাম (christian gram) সর্বপ্রথম ব্যাকটেরিয়াকে রঞ্জক দ্বারা রং করার পদ্ধতি আবিষ্কার করেন।

প্রঃ কোন্ ওষুধ তৈরিতে ব্যাসিলাস সাবাটিলাস (Bacillus Sabhlus ) ব্যাকটেরিয়ায় ব্যবহৃত হয়?

উঃ জীবাণু প্রতিরোধকারী ব্যাসিটাসিন (Bacitracin) নামক ওষুধ তৈরি হয়।

প্রঃ ব্যাকটিরিও ফাজ ভাইরাস কিভাবে উপকার করে?

উঃ আন্ত্রিক জ্বর, কলেরা, অমাশয় ইত্যাদি রোগের ব্যাকটেরিয়ার দেহে এই ভাইরাস বসবাস করে এবং ব্যাকটেরিয়াগুলিকে ধ্বংস করে রোগের আক্রমণ থেকে দেহকে রক্ষা করে।

প্রঃ একটি আদর্শ ব্যাকটেরিয়ার গঠন কেমন?

উঃ একটি আদর্শ ব্যাকটেরিয়া কোষ প্রচীর সাইটোপ্লাজমীয় পর্দা সাইটোপ্লাজম এবং নিউক্লিয়েড দ্বারা গঠিত হয়ে থাকে।

প্রঃ পাস্তুরাইজেশন পদ্ধতিটি বিবৃত কর।

উঃ 140°C তাপমাত্রায় আধঘণ্টা রেখে সঙ্গে সঙ্গে 10°C এরও কম তাপমাত্রায় নামিয়ে কোনো জিনিসকে ঠান্ডা বা জীবাণুশূন্য করাকে পাস্তুরাইজেশন বলে।

প্রঃ জলাতঙ্ক রোগ সৃষ্টিকারী ভাইরাসের নাম কি?

উঃ রেবিস ভাইরাস জলাতঙ্ক রোগ সৃষ্টি করে।

প্রঃ ক্লসট্রিডিয়াম বিউট্রাকাম ব্যাকটেরিয়া কিভাবে উপকার সাধন করে?

উঃ এই ব্যাকটেরিয়া পাট জাতীয় গাছের পেকটিন নষ্ট করে দেয়। কাণ্ড থেকে তন্তু বের করতে সাহায্য করে।

প্রঃ গ্রাম নেগেটিভ ব্যাকটেরিয়া বলা হয় কাদের?

উঃ যে ব্যাকটেরিয়াগুলি কোনো রং গ্রহণ করে না।

প্রঃ জলকে দূষিত করে কোন্ ব্যাকটেরিয়া ?

উঃ সালমোনেলা টাইকি নামে ব্যাকটেরিয়া জলকে দূষিত করে।

প্রঃ ফ্লাজেলা বলতে আমরা ব্যাকটেরিয়ার কোন্ অংশকে বুঝি?

উঃ ব্যাকটেরিয়ার দেহে যে সুতোর মতো অংশ থাকে।

প্রঃ যে সকল ব্যাকটেরিয়া রং গ্রহণ করে তাদের কি নামে অভিহিত করা হয়?

উঃ গ্রাম-প্রজেটিভ।

প্রঃ কোন ভাইরাস জলবসন্ত রোগ সৃষ্টি করে?

উঃ ভ্যারিসেলা ভাইরাস জল বসন্ত রোগের সৃষ্টি করে।

<< আগের পোস্ট | পরবর্তী পোস্ট >> 

 

 

0 Comments: