Headlines
Loading...
Life science gk in bengali | জীবন বিজ্ঞান জিকে প্রশ্নোত্তর 3

Life science gk in bengali | জীবন বিজ্ঞান জিকে প্রশ্নোত্তর 3

300 + Life science gk in bengali pdf | জীবন বিজ্ঞান জিকে

জীবন বিজ্ঞান জিকে সমস্ত রকম প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার ক্ষেত্রে যেমন MTS,WBCS, BANK, WBPSC, SSC, CGL, CHSL, WBP  RRB GROUP D-র জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। এই life science gk question set in bengali তে আমরা নিয়ে এসেছি 300র ও বেশি জীবন বিজ্ঞান জিকে প্রশ্ন উত্তর। More than 300 life science question answers in bengali , যেগুলি আপনাকে সাহায্য করবে বিভিন্ন ধরনের কুইজ (Life science quiz in bengali) ও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার ক্ষেত্রে জ্ঞান বর্ধক হিসেবে। life science gk in bengali pdf এটি হলো এই সিরিজের 3rd questions set.

প্রঃ মিঠা পাট কি? বিজ্ঞানসম্মত নাম কি?

উঃ তত্ত্ব প্রদানকারী উদ্ভিদ। কাণ্ডর অংশ ব্যবহার বেশি হয়। Corchorus olitorius

প্রঃ সুলতান চাঁপার বৈজ্ঞানিক নাম কি? গোত্র কি? প্রয়োজনীয় অংশ কি?

উঃ Calophyllum inophyllum, Mimosaceae। কাণ্ড মাছ ধরবার নৌকা, মোষের গাড়ি ইত্যাদি প্রস্তুতিতে কাজে লাগে।

প্রঃ ব্রাহ্মী উদ্ভিদ কি কাজে লাগে? বিজ্ঞানসম্মত নাম কি?

উঃ পাতার রসে রক্তস্রাব বন্ধ হয়। Eupatorium ayapana |

প্রঃ ওক গাছের বিজ্ঞানসম্মত নাম কি? এটি কি কাজে বহুল পরিমাণে ব্যবহৃত হয়?

উঃ Ouercus paciphyllum। পরিণত কাণ্ড, জাহাজ নির্মাণ, সেতু নির্মাণ ইত্যাদি কাজে লাগে।

প্রঃ দারুর বৈজ্ঞানিক নাম কি? গোত্র কি? ব্যবহারিক অংশ কি কাজে লাগে?

উঃ Cridrus deodara | Dinaceae । কাণ্ডের অংশ রেলের শিল্পার জানালা ইত্যাদি কাজে লাগে।

প্রঃ চিরতা উদ্ভিদের কোন অংশ কি কাজে লাগে? বিজ্ঞানসম্মত নাম কি?

উঃ কাণ্ড বলবর্ধক ওষুধরূপে ব্যবহৃত হয়। উদারাময় নিরাময়। Swerfia chairata |

প্রঃ মুথাঘাস, আম ও আদা কি ধরনের মূল?

উঃ গুটিকাকৃতি।

প্রঃ “একোনাইট” কি?

উঃ এক প্রকার বিষাক্ত গাছের নির্যাস এটি একটি তীব্র বিষ।

প্রঃ শ্বাসমূল বলতে আমরা কি বুঝি। কোথায় এধরনের গাছ জন্মে?

উঃ বাংলার দ্বীপ অঞ্চলের মাটি লবণাক্ত। আবার সমুদ্রের জোয়ারের সময় জল গাছের গোড়ায় চলে আসে। ভাটা পর্যন্ত অবস্থান করে। ফলে সেখানকার উদ্ভিদের মূল শ্বাসকার্য পরিচালনার জন্য মাটি ভেদ করে সোজাভাবে ওপরে উঠে আসে এদের গায়ে অতি সূক্ষ্ম কিছু ছিদ্র থাকে। এ ধরনের মূল শ্বাসমূল নামে পরিচিত। সুন্দরবন অঞ্চলেই সাধারণতঃ এই ধরনের গাছে দেখা যায়। কেওড়া, গরান সাধারণতঃ এই ধরনের গাছ দেখা যায়। কেওড়া গরান ও সুন্দরী গাছের মূল শ্বাসমূল।

প্রঃ একটি ভাসমান মূলের নাম কি?

উঃ কেশরা।

প্রঃ ভুট্টাগাছের বিজ্ঞানসম্মত নাম কি?

উঃ জিয়ামেইজ (zeamays)

প্রঃ মূলতন্ত্র কাকে বলে?

উঃ প্রধানমূল এবং তার পার্শ্বীয় শামা-প্রশাখাকে একত্রে প্রধান মূলতন্ত্র বলে।

প্রঃ কাণ্ডজ মূল কাকে বলে? কোন্ কোন্ উদ্ভিদে এ ধরনের মূল দেখা যায়?

উঃ কাণ্ডের যে কোনো অংশ থেকে যে মূল বেরিয়ে এসে মাটির ভেতরে ঢুকে যায় তাদের কাণ্ডজ মূল বলে। যেমন—রাঙা আলু আমরুল, দুর্বাঘাস প্রভৃতি।

প্রঃ ঠেস মূলের উদাহরণ দাও।

উঃ ভুট্টা, কেয়া প্রভৃতি গাছের মূল ঠেস মূল।

প্রঃ উদ্ভিদের মূল বলতে কোন্ অংশকে চিহ্নিত করি?

উঃ ভ্রূণমূল থেকে সৃষ্ট মৃত্তিকামুখী মুকুলবিহীন পর্ব ও পর্বমধ্যে বিহীন বর্ণহীন অংশকেই মূল বলে।

প্রঃ কলাবতী, পেঁয়াজ ও রসুনের মূলে আমাদের কাছে কি নামে পরিচিত?

উঃ সঙ্কোচী মূল।

প্রঃ কোন্ মূলের খাদ্য সঞ্চয় রাখার ক্ষমতা আছে?

উঃ ভাণ্ডার মূলে।

প্রঃ পত্ৰজ মূল কাকে বলে? কোন্ কোন্ গাছের পত্রজ মূল দেখা যায়?

উঃ কোন কোন গাছের পাতার প্রান্ত থেকে সরু সরু মূল বেরোয়, এদেরকে পত্রজমূল বলে। যেমন—হিমসাগর, পাথরকুচি প্রভৃতি।

প্রঃ রাষ্পার মূল কি ধরনের?

উঃ দৃঢ় সংলগ্নী।

প্রঃ যৌগিকপত্র কয় ভাগে বিভক্ত ও কি কি?

উঃ দুই ভাগে বিভক্ত। যথা—পক্ষল যৌগিক পত্র ও করতলাকার যৌগিক পত্র।

প্রঃ কোনো প্রয়োজনীয় গ্যাস উদ্ভিদ বায়ুমণ্ডলের পরিবর্তে মাটি হতে গ্রহণ করে?

উঃ নাইট্রোজেন।

প্রঃ চুপড়ী আলু, আলু ও কাঁকরোল সাধারণতঃ কি ধরনের মূল?

উঃ মালাকৃতি।

প্রঃ পাতার সাধারণ কাজ কি কি?

উঃ (ক) শ্বাসকার্য, (খ) সালোক-সংশ্লেষ ও 'বাষ্পমোচন।

প্রঃ কাকে উদ্ভিদের রান্নাঘর বলে? কেন?

উঃ পাতাকে। পাতা সূর্যালোকের ক্লোরোফিলের সাহায্যে খাদ্য প্রস্তুত বলে।

প্রঃ একক পত্র কাকে বলে?

উঃ যে পত্রের পত্রফলক সম্পূর্ণ এবং কর্তন মধ্য শিরা।

প্রঃ অঙ্গজ় মুকুলের একটি উদাহরণ দাও?

উঃ বাঁধাকপি।

প্রঃ পাতার যান্ত্রিক কার্য উল্লেখ কর।

উঃ (ক) পাতার আকর্ষি উপরে উঠতে সাহায্য করে। (খ) পাতার কণ্টক আত্মরক্ষায় সাহায্য করে।

প্রঃ শুল্ক পত্র কি? কোন্ উদ্ভিদের পত্র শুল্ক পত্র?

উঃ কাণ্ডের পর্ব মধ্যে থেকে উৎপন্ন পাতলা আঁশের মতো পাতাকে শুল্ক পত্র বলে। এদের ভেতরটা অধিকাংশ ক্ষেত্রে ফাঁকা। যেমন—রসুন, পিয়াজ।

প্রঃ কার উপস্থিতিতে কোষ রঙীন হয়?

উঃ ক্রোমোপ্লাস্টের উপস্থিতিতে।

প্রঃ সোপত্রিক পাতা কাকে বলে? উদাহরণ দাও।

উঃ যেসব পাতায় উপপত্র থাকে তাদের সোপত্রিক (Staputate) বলা হয়।

প্রঃ উচ্চশ্রেণীর উদ্ভিদের শ্বাসকার্য কিসের সাহায্যে সম্পন্ন হয়?

উঃ মূলত্রাণের সাহায্যে।

প্রঃ যৌগিকপত্র কাকে বলে?

উঃ পত্রফলক যখন সম্পূর্ণ থাকে না এবং কর্তন মধ্যে শিরা বা ফলক মূল পর্যন্ত প্রসারিত হয় তখন তাকে যৌগিক পত্র বলে।

প্রঃ উদ্ভিদের কোন্ কলায় সালোক-সংশ্লেষ ঘটিত হয়?

উঃ মূলত্রাণের সাহায্যে।

প্রঃ সূর্যমুখীর পাতা কোন প্রকার?

উঃ মঞ্জুরী পত্র।

প্রঃ আমের বৈজ্ঞানিক নাম কি?

উঃ ল্যাংগিফেরা ইন্ডিকা (Mangifera indica)

প্রঃ প্রোটোপ্লাজম কিরূপ প্রকৃতি বিশিষ্ট?

উঃ দানার আকৃতি বিশিষ্ট ঘন জেলির মতো থকথকে।

প্রঃ কিউটিকল বলতে আমরা সাধারণত কাকে বুঝি?

উঃ বাষ্পমোচনের বাধা দেবার জন্য থোম বা কিউটিন দিয়ে তৈরি একটি স্তর কোষগুলির বাইরে অবস্থান করে। এটিই কিউটিকল।

প্রঃ কোন্ বিশেষ ব্যাকটিরিয়া মটরের মূলে অর্বুদ সৃষ্টি করতে সক্ষম?

উঃ রাইজোবিয়াম নামক ব্যাকটিরিয়া।

প্রঃ দুগ্ধ-বৃক্ষ কি এবং কোথায় জন্মে?

উঃ আমেরিকায় একরকম উঁচু গাছ আছে। এর গোড়ার দিকে খানিকটা কাটলেই দুধের মতো সাদা পুষ্টিকর ও সুস্বাদু পদার্থ নির্গত হতে থাকে। এই গাছকে Milk-Tree বলে।

প্রঃ স্টোমা বা পত্ররন্ধ্র কাকে বলে?

উঃ পাতায় বা অপরিণত কাণ্ডের ত্বক এক প্রকার অতি সূক্ষ্ম ও অসংখ্য ছিদ্র থাকে। (যাদের অনুবীক্ষণ যন্ত্র ছাড়া দেখা যায় না।) তাদের স্টোমা বা পত্ররন্ধ্র বলে।

প্রঃ কোন্ উদ্ভিদের গমন-ধর্ম পরিলক্ষিত হয়? চলন ও গমনের মধ্যে পার্থক্য কি?

উঃ ভলভক্স। মেসোমাইটিস। ক্ল্যাথাইডোমোনামস প্রভৃতি বৃক্ষের গমন-ধর্ম দেখা যায়। উদ্ভিদ যখন কোনো একটি স্থানে স্থির থেকে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ দোলায় তখন তাকে চলন আখ্যা দেওয়া হয়। আবার যখন কোনো উদ্ভিদ স্থান পরিবর্তন করে অন্যত্র চলে যায়। তখন তাকে গমন বলে। প্রঃ রজনীগন্ধার বৈজ্ঞানিক নাম কি?

উঃ পলিয়্যনিফেন টিউবার রোজা।

প্রঃ স্টোমা বা পত্ররন্ধ্র কোথায় থাকে?

উঃ অপরিণত কাণ্ডের ত্বক এবং পাতার ত্বকে।

প্রঃ মিউটেশান তত্ত্বের প্রস্তাবক কে?

উঃ হুগো ডি-লিস।

প্রঃ কোন্ বিশেষ চলনের ফলে সামান্য স্পর্শে লজ্জাবতীর পাতা গুটিয়ে যায়?

উঃ সিসমোনাস্টি চলন।

প্রঃ পতঙ্গভুক উদ্ভিদ কোন্গুলি? কোন্ কোন্ উদ্ভিদ পতঙ্গভুক?

উঃ যে সব উদ্ভিদ পতঙ্গ দেহের রস খেয়ে জীবনধারণ করে তাদের পতঙ্গভুক উদ্ভিদ বলে। সূর্যশিশির, কলসীপত্র প্রভৃতি।

প্রঃ কোন্ হরমোন স্প্রে করে ফল পাকানো হয়?

উঃ অক্সিন হরমোন।

প্রঃ কোন্ কোন্ অংশের সমন্বয়ে প্রোটোপ্লাজম গঠিত হয়?

উঃ দুইটি। (ক) গোলাকার নিউক্লিয়াস এবং (খ) সান্দ্রঅর্ধতরল সাইটোপ্লাজম।

প্রঃ পানীয় জল শোধনে ক্লোরেল্লার ভূমিকা কি?

উঃ ক্লোরেল্লা জলকে ব্যাকটিরিয়া মুক্ত করার ক্ষমতা ধরে। এরা জলের ব্যাকটিরিয়াকে জলের তলদেশে নিয়ে গিয়ে ধ্বংস করে দেয়। ক্লোরেল্লা সালোক-সংশ্লেষ মাধ্যমে অক্সিজেন ত্যাগ করে এবং জলের কার্বন-ডাই-অক্সাইড গ্রহণ করে জলকে পরিশোধন করে থাকে। ফলে শহরের জল পরিশোধন করে থাকে। ফলে শহরের জল পরিশোধনে জলাশয়ে ক্লোরেল্লায় চাষ বাঞ্ছনীয়।

প্রঃ কোন গাছ সবচেয়ে বেশিদিন ফল দেয়?

উঃ নাশপাতি গাছ। প্রায় 300 বছর ফল দেয়।

প্রঃ কচু গাছের রস হাতে লাগলে চুলকায়—কারণ কি?

উঃ কচুতে এবং ডাঁটার রসে থাকা র্যাফাইড হাতে ফুটে যায় বলে চুলকায়।

প্রঃ ক্লোরোল্লিনের কি ব্যাকটিরিয়া আক্রমণ প্রতিরোধ ক্ষমতা আছে?

উঃ হ্যাঁ।

প্রঃ ক্লোরেল্লায় কি কি খাদ্যগুণ আছে?

উঃ স্নেহ পদার্থ শতকরা 20-30 ভাগ। প্রোটিন শতকরা 30 ভাগ আর অবশিষ্ট জল অঙ্গার বর্তমান।

প্রঃ কোষপর্দা কাকে বলে?

উঃ একটি পাতলা পর্দার দ্বারা প্রোটোপ্লাজম আবৃত থাকে। এই পদার্থটিই কোষপর্দা নামে পরিচিত।

প্রঃ ক্লোরেল্লায় কোন্ কোন্ ভিটামিন থাকে?

উঃ এতে A, B, C এবং K ভিটামিন থাকে।

প্রঃ গাছের আস্থনিক শিকড় কাকে বলে? উদাহরণ কি?

উঃ যে শিকড় নির্দিষ্ট স্থানের পরিবর্তে অন্যস্থানে গজায়। বটের ঝুরি। আমের প্রতি গাঁটের চারপাশের শিকড়।

প্রঃ ক্লোরেল্লার প্রোটিনকে মানুষ ও পশুর প্রোটিন খাদ্যের আদর্শ উৎস বলার কারণ কি?

উঃ এতে 17 রকম অ্যামিনো অ্যাসিড আছে বলে।

প্রঃ হাম রোগের ভাইরাসকে কি নামে অভিহিত করা হয়?

উঃ হাম রোগের ভাইরাসকে মিসলস্ ভাইরাস বলে।

<< আগের পোস্ট | পরবর্তী পোস্ট >>

0 Comments: