Headlines
Loading...
Medical science gk in bengali | চিকিৎসা বিজ্ঞান জিকে

Medical science gk in bengali | চিকিৎসা বিজ্ঞান জিকে

Medical science gk in bengali | চিকিৎসা বিজ্ঞান জিকে

এটি হলো চিকিৎসা বিজ্ঞানের উপর তৈরি কিছু গুরুত্বপূর্ণ জেনারেল নলেজের কোশ্চেন সেট। Medical science gk question set in bengali এই সেটটিতে আমরা এমন কিছু প্রশ্ন নিযুক্ত করেছি যা শুধু পরীক্ষার জন্যই নয় Medical science gk in bengali not only for competitive exams , বরং আপনাদের সকলের তা অবশ্যই যেনে রাখা উচিত যে, যে কোনো অপদকালীন medical emergency এর সময় কীভাবে মোকাবেলা করতে হয়। Medical science quiz in bengali.

প্রঃ পৃথিবী বিখ্যাত কয়েকজন ভারতীয় চিকিৎসা বিজ্ঞানীর নাম কর?

উঃ স্যার রামনাথ চোপরা, ডাঃ উপেন্দ্রনাথ ব্রহ্মচারী, ডাঃ বিধানচন্দ্র রায়, ডাঃ নীলরতন সরকার, ডাঃ গণপতি পাঁজা, ডাঃ সুবোধ মিত্র এবং ডাঃ কেদারনাথ মিশ্র।

প্রঃ W.H.O.-এর পুরো কথাটি কি?

উঃ ওয়ার্ল্ড হেলথ্ অরগানাইজেশন (World Health Organisation)।

প্রঃ কয়েকজন পৃথিবী বিখ্যাত ভারতীয় হৃদ-শল্য চিকিৎসকের নাম কি?

উঃ ডাঃ বাবার্ড, ডাঃ ডালটন কুলি, ডাঃ দেবী শেঠী, ডাঃ সুধাংশু ভট্টাচার্য।

প্রঃ শিশুদের অত্যাবশ্যক প্রতিষেধক ওষুধ কোন্গুলি?

উঃ পোলিও (খাওয়ানো), বি.সি.জি. (যক্ষ্মার টিকা), টি.এ.সি. (টাইফয়েড টিকা), কলেরা (ইনজেকশন), হাম (ইন্‌জেকশন)।

প্রঃ কোন্ এলাকার ম্যালেরিয়া, কলেরা, হাম, বসন্ত, ডিপথিরিয়া ছড়িয়ে পড়লে সঙ্গে সঙ্গে কোন্ কোন্ ব্যবস্থা নেওয়া উচিত?

উঃ (ক) রোগীর যথোপযুক্ত চিকিৎসা,

(খ) জল সংরক্ষণ ও শোধন,

(গ) রোগীর ব্যবহৃত জিনিসপত্র আলাদা করে রাখা,

(ঘ) রোগীর পায়খানা, বমি, থুথু, মূত্র প্রভৃতি পোড়ানো বা মাটি চাপা দিতে হবে।

(ঙ) মশারী অবশ্যই ব্যবহার করা,

(চ) অনাক্রান্ত মানুষদের প্রতিষেধক দেওয়া।

(ছ) খোলা খাবার না খাওয়া,

(জ) নিজস্ব স্বাস্থ্য রক্ষায় সতর্কতা অবলম্বন করা এবং হাত মুখ নিয়মিত উত্তমরূপে ধোওয়া, জামা-কাপড় কাচা, নখকাটা এবং

(ঝ) নালা নর্দমা পরিষ্কার রাখা ইত্যাদি।

প্রঃ সাপে কামড়ালে কোন্ ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত?

উঃ সাপে কামড়ালে বিষক্রিয়ার চেয়ে আতঙ্কে ও দুশ্চিন্তার ফলেই মৃত্যু হয় বেশি। যে সাপ কামড়েছে সেই সাপ বিষাক্ত নাকি নির্বিষ জানার চেষ্টা না করে চামড়ার তিনটি দাগের ওপরের দিকে দড়ি দিয়ে খুব জোরে বাঁধন দিয়ে যত শীঘ্র সম্ভব রোগীকে হাসপাতালে স্থানান্তরিত করতে হবে। রোগীকে বিভিন্নভাবে সাহস দিয়ে চাঙ্গা রাখা একান্ত কর্তব্য।

প্রঃ জল ফুটিয়ে খেলে কি কি উপকার পাওয়া যায়?

উঃ উত্তাপে রোগ জীবাণু ধ্বংস হয়, বিভিন্ন লবণ (ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, কপার বাইকার্বনেট ও লোহা) ও ক্ষরতা দূরীভূত হয়।

প্রঃ জলে ডোবা রোগীকে কি করা উচিত?

উঃ জল থেকে তুলে রোগীকে ফাঁকা জায়গার মুক্ত বাতাসে নিয়ে যেতে হবে, যত শীঘ্র সম্ভব ডাক্তারকে খবর দিতে হবে। ফাঁকা জায়গায় নিয়ে রোগীর নাক, চোখ ও মুখ উত্তমরূপে পরিষ্কার করার পর দ্রুত উপুড় করে শুইয়ে দিতে হবে। তারপর পিঠের দিকে চাপা দিয়ে জল বের করে দিতে হবে। এবার তাড়াতাড়ি চিৎ করে শুইয়ে কৃত্রিম শ্বাস-প্রণালী ব্যবস্থা করতে হবে। সুযোগ থাকলে শীঘ্র হাসপাতালের শরণাপন্ন হওয়া উচিত।

প্রঃ পানীয় জলের কি কি গুণ থাকা দরকার?

উঃ (ক) জীবাণু, (খ) ক্ষারহীন, (গ) বিষাক্ত খনিজ দ্রব্যমুক্ত, (ঘ) প্রয়োজনীয় পাতন শুদ্ধ।

প্রঃ হৃৎগতি বা ফুসফুসের শব্দ শোনা যন্ত্রের নাম কি? কে আবিষ্কার করেন?

উঃ স্টেথোস্কোপ। বৈজ্ঞানিক লেনেক্।

প্রঃ হৃৎপিণ্ডের ধমনীর সরলতা ও বদ্ধতা জানার উপায় কি?

উঃ অ্যান্‌জিওগ্রাফ।

প্রঃ হৃৎপিণ্ডের বাইপাস সার্জারি কি?

উঃ হৃৎপিণ্ডের রক্ত সঞ্চালনকারী শিরা অসুস্থ বা বন্ধ হয়ে গেলে অন্য একটি বহিরাঙ্গের শিরা ওই জায়গায় সংস্থাপন করা।

প্রঃ অম্বলের চিকিৎসা কি?

উঃ (ক) যে কারণে অম্বল হয় তা ত্যাগ করতে হবে। (খ) পেট পরিষ্কার রাখার জন্য সবজি, বীম, ত্রিফলা অথবা চিকিৎসকের পরামর্শানুযায়ী কোন ওষুধ খেতে হবে। (গ) আগেকার দিনে জোয়ানের আরক খাওয়ানো হত। বর্তমানে বাজারে ম্যাগনেসিয়াম ট্রাই মিক্সাচার, অ্যামোনিয়াম হাইড্রোক্সাইড, ক্যালসিয়াম কার্বোনেট প্রভৃতি ওষুধে খুব উপকার পাওয়া যাচ্ছে, সেইসব ওষুধ ব্যবহার করা।

প্রঃ হৃৎপিণ্ডের বাইপাস সর্জারি কি?

উঃ হৃৎপিণ্ডের রক্ত সঞ্চালনকারী শিক্ষা অসুস্থ বা বন্ধ হয়ে গেলে অন্য একটি বরিরাঙ্গের শিরা ওই জায়গায় সংস্থাপন করা।

প্রঃ আমাদের কোনো জায়গা পুড়ে গেলে সাথে সাথে কোনো চিকিৎসা ব্যবস্থা গ্রহণ করা আবশ্যক?

উঃ ঠান্ডা জলে ধুয়ে দিতে হবে, () স্টেট-ব্যাক ইন্জেকশন দেওয়া, () কিছু না

প্রঃ ব্লাডপ্রেসার হলে শরীরের প্রতি কি যত্ন নেওয়া উচিত?

উঃ বৃক্ক হৃৎপিন্ডের ওপর ওষুধ প্রয়োগ করে রক্তের ভার কমানো, বেশি পরিশ্রম বন্ধ করা, পরিমিত আহার, তৈলাক্ত মশলাযুক্ত খাবার খুব কম খাওয়া বা না খাওয়া, নুন প্রথমে পাতে একেবারে বন্ধ, পরে রান্নাতে সামান্য ব্যবহার পরিমিত চলাফেরা, বেশি উঁচু কোনো স্থানে না ওঠা, উত্তেজক চিন্তা কথা বন্ধ করা, পা মুখ খোলা দেখলেই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া, সিগারেট, মদ জর্দা সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করা

প্রঃ অচল হৃৎপিণ্ডের গতিকে সচল ছন্দোবদ্ধ রাখতে কোন্ যন্ত্রের সাহায্য নেওয়া হয়?

উঃ প্রেস-মেকার যন্ত্র

প্রঃ লিউকোমিয়া বলতে কি বোঝায়?

উঃ শ্বেতকণিকার জন্ম ক্ষতিকারক তন্তুর বৃদ্ধি অনুপ্রবেশ যার জন্য সংখ্যা শ্বেত কণিকার মানগত অবনতি

প্রঃ যক্ষ্মার মহৌষধকে আবিষ্কার করেন?

উঃ ডাঃ এমিল হ্যান্সসেন

প্ৰঃ স্কার্ভি কি?

উঃ ভিটামিন সি শরীরে কমে গেলে মাড়ি থেকে রক্তপাত হয়

প্রঃ সন্ন্যাস রোগ কাকে বলে?

উঃ বয়স্ক ব্যক্তির উত্তরোত্তর উচ্চচাপ হেতু মস্তিষ্কের কোনো অংশে হঠাৎ রক্তক্ষরণ

প্রঃ হৃৎপিণ্ডের বিভিন্ন কাজ, সঙ্কোচন, প্রসারণ, গতি, ছন্দ অথবা অসুস্থতা (নির্ধারণ) জানার উপায় কি?

উঃ ইলেক্টো কার্ডিওগ্রাফি (.সি.জি.)

প্রঃ T.A.B.C. কি?

উঃ টাইফয়েড .বি. কলেরার ইনজেকশন

প্রঃ LASER এর সম্পূর্ণ নাম কি?

উঃ Light amplification by stimulated emission of radiation

প্রঃ D.P.T. কেন ব্যবহার করা হয়?

উঃ শিশু জন্মাবার পর ডিথিরিয়া, হুপিং কাশি এবং টিটেনাস-এর ইনজেকশন ( মাস, মাস মাস) হিসাবে

প্রঃ চিকিৎসা বিদ্যায় লেসার রশ্মি কি কি কাজে ব্যবহৃত হয়?

উঃ () এন্ডোস্কোপিতে আলোক উৎস হিসাবে

() Fibre-aptics যন্ত্রের আলোক উৎস হিসাবে, (Video-Camera- জন্য) — Laparascape-

() মাইক্রোসার্জারিতে সূক্ষ্ম ছুরিকা হিসাবে

() ‘তাপতঞ্চনপদ্ধতিতে (cautery diathertmy) রক্তপাত বন্ধ করতে

() চক্ষু চিকিৎসায় রেটিনার সার্জারি করতে

() শুষ্ক বরফ (Dry ice) এর সঙ্গে Cryo-Surgery-তে () বিভিন্ন প্রকার monitor-

() ল্যাপরোস্কোপ সূক্ষ্ম ছুরি হিসাবে

(১০) সার্জিক্যাল মাইক্রোস্কোপের আলোক উৎস হিসাবে

প্রঃ ডিমোক্রিটাসের পরিচয় কি? কোন্ দেশের মানুষ?

উঃ একজন প্রখ্যাত কিমিয়াবিদ মিশরের আলেকজান্দ্রিয়া

প্রঃ দাঁতের মাড়ির অসুখ হলে কি করা উচিত?

উঃ যত শীঘ্র সম্ভব চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত আজকাল দাঁত না তুলে উৎকৃষ্ট আধুনিক পদ্ধতিতে দাঁত বা মাড়ির চিকিৎসা করা হচ্ছে

প্রঃ ভারতীয় চিকিৎসার অন্যতম দুটি পুস্তকের নাম লেখ

উঃ চরক সংহিতা সুশ্রুত সংহিতা

প্রঃ নাক দিয়ে রক্তপড়াকে কি বলে? এই অবস্থায় কি করা উচিত?

উঃ নাক দিয়ে রক্ত পড়াকে Epistaxis বলা হয় নাক দিয়ে হঠাৎ রক্ত পড়লে ভাবতে হবে মাথায় বা নাকে আঘাত, সর্দি, সাইনাসের অসুখ,খুব গরম লাগলে ব্লাড প্রেসার, যদি নাকে কোনো পোড়া ঘা থাকে তা থেকে রক্তপাত হচ্ছে তবে সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া উচিত

প্রঃ মিশরের প্রাচীন চিকিৎসাশাস্ত্র কোন্টি? কার লেখা?

উঃ সি--চিং হুয়াং-তি

প্রঃ 'টিটেনাস' শব্দটির অর্থ কি?

উঃ Lock Jaw বা চোয়াল আটকে যাওয়া

প্রঃ যক্ষ্মা টি. বি. রোগের উপযুক্ত চিকিৎসা কি?

উঃ শরীরের এমন কোনো স্থান নেই সেখানে যক্ষ্মা হয় না যক্ষ্মা রোগ নির্ণয়ের অনেকরকম আধুনিক চিকিৎসা আবিষ্কৃত হয়েছে আগেকার দিনে যক্ষ্মা একেবারেই দুরারোগ্য রোগ বলে বিবেচিত হলেও এখন মাত্র কয়েক দিনের চিকিৎসায় রোগ সেরে যায় অর্থাৎ বর্তমানে পথ্য চিকিৎসার মাধ্যমে রোগ সম্পর্ণরূপে নিরাময় করা সম্ভব হচ্ছে আগেকার দিনে চিকিৎসার মাধ্যমে রোগ সম্পূর্ণরূপে নিরাময় হতো না ৪০-এর দশকে স্টেপ্টোমাইসিন আবিষ্কারের পর আধুনিককালে ইথামবিউটল, পাহারাজনমাইড অ্যাসিড, আইমোনেক্স, ভিটামিন প্রভৃতি এই রোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হচ্ছে এবং রোগ সমূলে নির্মূল করা অত্যন্ত সহজ হচ্ছে

প্রঃ TOXOID-এর প্রয়োজনীয়তা কি?

উঃ এমন এক ওষুধ (ইন্জেকশন) যা অসুখ তৈরি করতে পারে না কিন্তু অসুখ প্রতিরোধ করতে পারে

প্রঃ হার্টের রোগীর লক্ষণ কি? এই রোগ হলে কোন্ কোন্ ব্যাপার লক্ষ্য রাখা উচিত?

উঃ বিশ্রাম অথবা চলা ফেরার সময় বুকের বাঁ দিকে ব্যথা, বুক চেপে ধরা নিঃশ্বাসে কষ্ট, গলার দু'পাশে অথবা ঘাড় থেকে নিচের দিকে ইলেকট্রিক কারেন্টের মতো ব্যথা, ভীষণ ঘাম, ব্লাড প্রেসার কমে যাওয়া সাথে সাথে হৃদরোগে বিশেষজ্ঞের শরণাপন্ন হওয়া নিয়মিত .সি.জি. এবং রক্ত পরীক্ষা করানো পরিমিত আহার, বিশ্রাম চলাফেরা ঘি, তেল, ঝাল, নুন, সিগারেট,জর্দা, মদ না খাওয়া, অহেতুক উত্তেজনা দুশ্চিন্তা দূর করা পড়াশোনা, পূজাপাঠ, সম্ভব হলে নিজের করণীয় পেশা বজায় রাখা ডায়বেটিস থাকলে সেই মতো পথ্য চিকিৎসা করতে হবে

প্রঃ বাত বলতে কি বোঝানো হয়?

উঃ ব্যথা থেকে 'বাত' কথাটা এসেছে বলে ধারণা অসুখে শরীরের বিভিন্ন সন্ধির প্রথমে বড় পরে ছোট সন্ধিগুলি রোগাগ্রস্ত হয় সন্ধির মধ্যে ইউরিক অ্যাসিড জমে স্নায়ু পেশীগুলি অক্রান্ত হয় সাধারণতঃ টনসিল সাইনাসের অসুখ থেকেই রোগের জীবাণু ধীরে ধীরে বিভিন্ন সন্ধিকে শেষে হৃৎপিণ্ডের কপাটিকাগুলিকে আক্রমণ করে এর উপসর্গজ্বর, ব্যথা কাশি

প্রঃ গরুর দুধে কোন্ কোন্ উপাদান কি কি পরিমাণে আছে?

উঃ 4.1 শতাংশ স্নেহজাতীয় দ্রব্য, 44 শতাংশ শর্করা এবং 3.2. শতাংশ প্রোটিন

প্রঃ বাত রোগের হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার উপায় কি?

উঃ ঠান্ডা না লাগানো, () গলা নাকের চিকিৎসা, () বাতের চিকিৎসা, () ট্যাকশন, () আধুনিক ইলেকট্রিক চিকিৎসা

প্রঃ বধিরতা কি? কারণ কি?

উঃ কানে শুনতে না পাওয়া বা অল্প শুনতে পাওয়া কারণ মোটামুটি শোনবার স্নায়ুর অসুস্থতা কর্ণপটাহ ছিঁড়ে যাওয়া, কানের পুঁজ, পুরানো খোল, টিউমার হওয়া প্রভৃতি প্রচণ্ড শব্দে কানে প্রচণ্ড চাপ, কানের পিছনের হাড় (যার মধ্যে বাতাস থাকবার হাড় আছে MASTOID AIR CELLS) শক্ত হয়ে যাওয়া এবং বার্ধক্যজনিত ক্ষয়ই হলো বধিরতার প্রধান কারণ

প্রঃ মস্তিষ্কে অথবা শরীরে কোনো অংশে ক্যান্সার বা অন্য কোনো রোগ হয়েছে কিনা তা কোন্ উপায়ে জানা যায়?

উঃ কমপিউটার টমোগ্রাফি স্ক্যানিং অথবা সি.টি. স্ক্যান

প্রঃ করোনারী থ্রম্বোসিস কাকে বলে?

উঃ হৃৎপিণ্ডের মাংস পেশীর মধ্যেকার করোনারী শিরায় রক্ত জমাট বেঁধে যাওয়া অসুখে রক্ত চলাচল বন্ধ হয়ে যায় অক্সিজেন না পাওয়ায় হৃৎপিণ্ডের মাংসে খিঁচুনি ধরে হৃৎগতি বন্ধ হয়ে যায়

প্রঃ এম.আর.আই. বলতে কি বোঝ?

উঃ ম্যাগনিফায়েড রেজোনেন্স ইমেজিং শব্দ সহ শরীরে বিভিন্ন অংশের নিখুঁত ছবি

প্রঃ ডায়ালিসিস কাকে বলে?

উঃ কিডনি বা বৃক্কের কাজ করানোর যান্ত্রিক চিকিৎসা পদ্ধতিকে

প্রঃ পোলিও কি ধরনের রোগ?

উঃ এক ধরনের শিশু ব্যাধি রোগের জীবাণু স্নায়ুমণ্ডলীকে অকেজো করে পক্ষাঘাত সৃষ্টি করে

প্রঃ বি.সি.জি. কি? কি কাজে ব্যবহৃত হয়?

: Bacillus Calmet Guaxini যক্ষ্মার প্রতিষেধক ভ্যাকসিন

প্রঃ সুষম খাদ্য কাকে বলে?

উঃ পরিমাণমতো প্রোটিন, ফ্যাট, শর্করা, লবণ, রাসায়নিক ভিটামিন যে খাদ্যে থাকে

প্রঃ দাঁতের বা মাড়ির অসুখ থেকে অন্যান্য আর কি কি অসুখ হবার সম্ভাবনা থাকে?

উঃ চোখ, কান, গ্ল্যান্ড, পাকস্থলী, অম্বল, বদহজম, যকৃতের ব্যাধি, গেঁটে বাত, কোষ্ঠকাঠিন্য স্নায়ুর অসুখ

প্রঃ টনসিল কি কি কারণে রোগগ্রস্থ হয়? এর থেকে কি ব্যাধি হয়?

উঃ অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ, ধুলো, ধোঁয়া, ঠান্ডা লাগা, ঠান্ডা জিনিস খাওয়া এয়ারকন্ডিশনে থাকা, অ্যালার্জি, বংশগত টনসিল থেকে চোখ, কান, গলার অসুখ, অম্বল, বদহজম, হাঁপানি, ফুসফুসের ব্যাধি, নানারকম বাত, সর্দি, কাশি, রক্তাল্পতা, মাথাধরা, তলপেটে ব্যথা, কোষ্ঠকাঠিন্য প্রভৃতি এতে শরীরের বৃদ্ধির হার কমে যায়

প্রঃ টনসিল কাকে বলে? এদের কাজ কি?

উঃ মুখগহ্বরের ঠিক পেছনে দুইপাশে দুইটি নাসিকা গহ্বরের পেছনে একটি তন্তুর দ্বারা গঠিত গোলাকার পিণ্ডকে বাইরের জীবাণুর প্রথম আঘাত এসে পড়ে এদের ওপর এরা শরীরের ভিতরে প্রবেশ করতে না দিয়ে, বাধা প্রদান করতে চেষ্টা করে, নিজেরা অসুস্থ হয়ে পড়ে যার ফলস্বরূপ গলার ব্যথা, গলার পাশের গ্ল্যান্ড ফোলা, জ্বর কাশি প্রভৃতি হয় মুখের টনসিল ব্যাধিগ্রস্ত হলে আমাদের রক্তে একটি আঙুলের মতো অংশ আছে যার গঠন ওই মুখের টনসিলের মতো, তাই তাকে বলা হয় টনসিল সেটিও ফুলে পেকে ওঠে এমন হয় যে, গলার টনসিলের প্রদাহের জন্য অ্যাপেনডিসাইটিস হয় সঙ্কটকালীন অস্ত্রোপচার করতে হয়

0 Comments: